ফোনে হঠাৎ একটা অচেনা নাম্বার থেকে মেসেজ এল পৌলমীর। টেক্সট মেসেজ। ভুরু টা একটু কুঁচকে গেল ওর। আজকাল টেক্সট তো মোবাইল কোম্পানীরা করে। Whatsapp বাদ দিয়ে টেক্সট মেসেজ! ব্যাপার টা অদ্ভুত বটেই। তবে মেসেজ টা অতি সাধারন। লেখা আছে, “Ki re? Kemon achis?” রিপ্লাই দেবে কিনা ভাবল তবে তার আগে আরও একটু গুরুত্বপূর্ন কাজ বাকি। ট্রু-কলার অ্যাপ টা খুলে নাম্বার টা ওখানে টাইপ করতেই বেরিয়ে গেল অচেনা লোকের পরিচয়।

নাম টা দেখে পৌলমী কিছুক্ষন একটু অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকল স্ক্রীনের দিকে। এটা কি হচ্ছে? এ মালটা কেন মেসেজ করছে আজ হঠাৎ? এতদিন পর? হ্যাঁ। তা প্রায় বছর দেড়েক তো হবেই। ইন ফ্যাক্ট পৌলমীর এখন একটা স্টেডি বয়ফ্রেন্ডও আছে। সুদীপ্ত। সুদীপ্তর কথা টা মনে পড়তেই ও কনট্যাক্ট লিস্ট খুলে ওর নাম্বার ডায়াল করল। এক্স বয়ফ্রেন্ড মেসেজ করছে সেটা প্রেজেন্ট বয়ফ্রেন্ড কে জানানো টা Priority No. 1.

ফোন টা কানে দিয়েই পৌলমী দেখল Busy বলছে। কান থেকে নামিয়ে আবার রিডায়াল করল ওই নাম্বার। আবার Busy. ধুত্তোরি! দরকারের সময় সুদীপ্ত কে পাওয়া যায় না। একটু পর আবার করবে ভেবে ফোন টা রাখতে যাচ্ছিল হঠাৎ সুদীপ্তর ফোন এল ওর নাম্বারে। উফফ! কি সব অদ্ভুত কান্ড হচ্ছে আজ?

ফোন টা ধরল ও। সুদীপ্ত ও প্রান্ত থেকে বলল, “কী হল? কতবার ফোন করলাম Busy আসছিল কেন?”

–       আরে আমি তো তোকে ফোন করার চেষ্টা করছিলাম।

সুদীপ্ত যেন কথাটা সেভাবে শুনল না। ও বলল “শোন না… একটা ব্যাপার হয়েছে।”

পৌলমী জিজ্ঞেস করল, “কি হয়েছে?”

–       আমাকে নয়নিকা মেসেজ করেছে।

“অ্যাঁ?” পৌলমীর মুখ থেকে অজান্তেই যেন আওয়াজ টা বেরিয়ে গেল।

সুদীপ্ত বলল, “আরে নয়নিকা রে। আমার এক্স।”

পৌলমী বলল, “হ্যাঁ। নয়নিকা কে সেটা আমি জানি। কিন্তু এটা কী করে সম্ভব?”

–       মানে? কী সম্ভব? কী সব বলছিস?

–       না মানে… আমার এক্স আর তোর এক্স একসাথে মেসেজ করল তোকে আমাকে?

–       What? সৌমেন দা মেসেজ করেছে তোকে? কখন?

পৌলমী জানে সুদীপ্ত, সৌমেন কে চেনে। সৌমেন অর্থাৎ পৌলমীর এক্স সুদীপ্তর স্কুলেই পড়ত। ওর থেকে ২ বছরের সিনিয়র।

পৌলমী বলল, “হুম। এই তো একটু আগে। তোকে কখন মেসেজ করল নয়নিকা?”

–       এই তো জাস্ট করল মেসেজ। নাম্বার টা অচেনা দেখে অবাক লাগল প্রথমে। তারপর True Caller এ Search করতেই পাওয়া গেল আসল নাম।

“এক মিনিট” পৌলমীর গলায় এবার সন্দেহ, “তোর কাছেও অচেনা নাম্বার থেকে মেসেজ এসেছে?”

–       হ্যাঁ। কেন?

–       না মানে কেউ Prank করছে না তো?

–       দেখ আমাদের সম্পর্কের কথাটা তোর বেস্ট ফ্রেন্ড ছাড়া আপাতত কেউ জানেনা। আমরা তিনজন একসাথেই ঘুরি সব সময়। কাজেই কারুর সন্দেহ হওয়ারও কথা নয়।

–       তা ঠিক। আর তাছাড়া True Caller এ তো আসল নাম বেরিয়েও গেল।

–       হুম। আচ্ছা… তাই বলে একসাথে দু’জন কে? ব্যাপার টা Odd না?

–       জানিনা Co incidence হয়ত। ফোন করবি একবার ওদের? মানে তুই তোর এক্স কে আর আমি আমার এক্স কে?

–       না না। একদম না। ফোন করলে বেশী Desperate দেখাবে। তার চেয়ে মেসেজ কর।

পৌলমী বলল, “হ্যাঁ সে করা যায়। কিন্তু আমার ফোনে তো ব্যালেন্স নেই। মানে এস এম এস ব্যালেন্স নেই। তোর আছে?”

সুদীপ্ত বলল, “হ্যাঁ আমার তো Unlimited Plan ভরা আছে। ওর সাথেই এস এম এস দেয়।”

–       আচ্ছা ঠিক আছে আমি একবার বিল্টুদা কে ফোন করে রিচার্জ করতে বলে দিচ্ছি। কাল টাকা দিয়ে দেবো কলেজে গিয়ে।”

–        নাম্বার আছে বিল্টু দার?

পৌলমী বলল, “আছে।”

–       হ্যালো বিল্টু দা?

–       হ্যাঁ? কে?

–       আমি পৌলমী বলছি। ওই যে কলেজের Math Honours এর।

–       ও হ্যাঁ বলো।

–       বলছিলাম যে আমার নাম্বারে একটা এসএমএস প্যাক রিচার্জ করে দেবে? আমি কাল কলেজ গিয়ে টাকা দিয়ে দেবো।

–       কত টাকার?

–       ওই ২৫-৩০ টাকার মধ্যে কিছু একটা।

–       ঠিক আছে ভরে দিচ্ছি। কাল দিয়ে যেও নাহলে বিনয় কাকা খিস্তি করবে।

–       হ্যাঁ। একদম একদম। কালকেই দিয়ে দেবো।

বিল্টু ছেলেটি আর কথা বাড়ালো না। পৌলমী ফোন টা রেখে দিল। এই দাদা টা বড্ড ভালো। ওদের কলেজের উলটো দিকেই জেরক্স আর মোবাইল রিচার্জের দোকান। তবে দোকানের বিনয় বাবু লোকটা আবার খুব বদমাইশ। কাস্টমার দের সাথে খারাপ ব্যবহার তো করেই। আবার কারনে অকারনে বিল্টু দা কে বেল্ট দিয়ে মারে সবার সামনেই।

হঠাৎ ফোনের ভাইব্রেশানে ঘোর কাটল পৌলমীর। রিচার্জ এর মেসেজ এল। এবার রিপ্লাই করা যেতে পারে সৌমেন কে।

সাড়ে বারোটা বাজে তখন। সুদীপ্তর সাথে ফোনে গল্প করছিল পৌলমী। দুপুরের এক্স উপাখ্যান নিয়েই কথা হচ্ছিল।

সুদীপ্ত জিজ্ঞেস করল, “তারপর? কী কথা হল বল?”

পৌলমী বলল, “ওই তো কেমন আছি জিজ্ঞেস করল। আমি বললাম ভালো। তোর কী খবর? তারপর-”

সুদীপ্ত বলল, “এই তো! এটাই তো ভুল করলি।”

–       হ্যাঁ কী? কেন?

–       আরে তুই আবার জিজ্ঞেস করতে গেলি কেন ওর কী খবর?

–       মানে? কী হল তাতে?

–       আরে ও ভাবল তুই Interested ওকে নিয়ে।

–       আরে ধুর! ওটা কে ভদ্রতা বলে। বাকি টা শোন।

সুদীপ্ত বলল, “আচ্ছা বল।”

পৌলমী বলল, “তারপর বলল ভালো আছে। জিজ্ঞেস করল আমি কি করছি আজকাল? বললাম যে Math Hons. পড়ছি থার্ড ইয়ার। ও নাকি এখন কলকাতায় এসেছে দু’দিন হল।”

“তুই কি দেখা করবি ওর সাথে?” আবার মাঝে থামাল সুদীপ্ত।

–       আরে না রে পাগল! উফফ! দেখা করতে বলেও নি।

–       বললে করতিস?

–       নাহ। কেন করব? আমার এখন বয়ফ্রেন্ড আছে তো। এক্স এর সাথে কেন বেরোবো?

–       তুই বলেছিস সেটা ওকে? যে তোর বয়ফ্রেন্ড আছে?

এবার পৌলমীর খেয়াল হল। তাই তো! এটা তো বলা হয় নি। ও বলল, “ না রে। এটা নিয়ে কিছুই কথা হয় নি। তাই আর বলিনি।”

“সিরিয়াসলি? এটা নিয়ে কথা হয়নি বলে বলিস নি? নিজে থেকে বলা যেত না?” সুদীপ্তর গলায় রাগ স্পষ্ট।

–       আরে ঠিক আছে বলে দেবো পরে। রেগে যাস না।

–       পরে বলে দেবো মানে? তুই আবার কথা বলবি নাকি ওর সাথে?

–       না মানে… পরে মেসেজ করলে বলে দেবো বললাম।

–       পরে মেসেজ করবে বলেছে?

–       উফফ! এত্ত জেরা করছিস কেন বল তো?

–       বাহ! খুব এক দিনেই এত চেঞ্জ?

পৌলমীর মাথাটা এবার দপ করে জ্বলে উঠল, “কি বললি তুই? চেঞ্জ? তুই তো সকালে বললি মেসেজ করতে। এখন এরকম বলছিস কেন?”

সুদীপ্ত বলল, “মেসেজ করতে বলেছিলাম। প্রেম করতে বলিনি।”

পৌলমী জোরে একবার শ্বাস নিল। তারপর বলল, “ঠিক আছে আমার ভুল হয়েছে। আর কথা বলব না।”

–       হুম। বেশ।

–       এবার নয়নিকা কী বলল সেটা বল।

সুদীপ্ত বলল, “তেমন কিছুই না। এই কেমন আছি? কী করছি? আমাকে নাকি মাঝে মধ্যে মিস করে এটা সেটা বলছিল।”

–       তুই কি বললি শুনে? গার্লফ্রেন্ড আছে বললি এখন?

–       নাহ বলিনি।

–       What?? বলিস নি?

সুদীপ্ত বলল, “না বলিনি। তার কারন –

“এক সেকেন্ড!” পৌলমী থামাল সুদীপ্ত কে, “তুই আমার সাথে এক্ষুনি ঝামেলা করলি আমি বয়ফ্রেন্ড আছে বলিনি বলে। আর তুই নিজে ওকে বললি না?”

সুদীপ্ত বলল, “দেখ আমি বলিনি তার কারণ। ও আগে ২ বার সুইসাইড অ্যাটেম্পট নিয়েছে। আমায় বলছে আমায় মিস করে মাঝে মধ্যে। এই সময় এসব বলা মানে আবার একটা ধাক্কা দেওয়া।”

–       হ্যাঁ তো কী হয়েছে? Why do you care anyway?

–       মানে? একটা মেয়ে হয়ে বলছিস Why Do I care?

–       রাখ ফোন রাখ। ভালো লাগছে না জাস্ট।

–       আচ্ছা ঠিক আছে পরে কথা হবে যখন বলে দেবো। Happy?

–       পরে কথা মানে? আমায় তো বারণ করলি মেসেজ করতে সৌমেন কে। তুই পরে মেসেজ করবি মানে… বুঝলাম না…

–       আরে তুই বুঝছিস না কেন? ওর সাথে খারাপ ব্যবহার করলে ও যা ইচ্ছে তাই করতে পারে। ওসব ঝামেলাই আমি যেতে চাইছি না। তাই আমি বললাম যে মাঝে মধ্যে কথা বলব।

পৌলমীর আর কিচ্ছু শুনতে ইচ্ছে করছিল না। ও বলল, “সুদীপ্ত… আমি রাখছি। তুই নয়নিকার খেয়াল রাখ। ওর ভালো থাকা টা বড্ড জরুরী।”

কথাটা বলেই ফোন কেটে সুইচড অফ করে দিল পৌলমী।

আজ ক্লাসে দু’য়েকবার দেখেছে পৌলমী সুদীপ্ত কে। কিন্তু কথা বলে নি। সুদীপ্তও বলে নি। ফোন নিয়ে ব্যস্ত ছিল মনে হল। নয়নিকা কে মেসেজ করছে হয়ত। আর ভাবতে চায় না ওটা নিয়ে। যা ইচ্ছে করুক। ভাল হয়েছে সম্পর্ক টা বেশীদিনের নয়। নাহলে চাপ হত।

কলেজ থেকে বেরোবার সময় আবার দেখা হয়ে গেল সুদীপ্তর সাথে। উফফ! এক জায়গায় পড়ার এই এক বিড়ম্বনা। পৌলমী ওকে এড়ানোর জন্যে জোরে হেঁটে চলে গেল কলেজের উলটো দিকের জেরক্স দোকানে। এমনিতেও কালকের রিচার্জের টাকা টা দিতে হবে ওকে।

দোকানে গিয়ে দেখল বিনয় কাকা বসে আছে। সাথে রয়েছে বিল্টু দা। বিল্টু বোধহয় ওকে কিছু একটা ইশারা করছিল দূর থেকে ওকে আসতে দেখে কিন্তু পৌলমী বুঝতে না পেরে দোকানের কাছে গিয়ে বলল, “বিল্টু দা? এই নাও কালকের রিচার্জের টাকাটা।”

ওর কথাটা শুনেই বিনয় কাকা উঠে দাঁড়িয়েছে চেয়ার থেকে। ও এবার বুঝতে পারল বিল্টু দা ওকে টাকা দিতে বারন করছিল একটু আগে ইশারা করে। এই রে! আবার শুরু হল।

কথাটা ভাবতে ভাবতেই পেছন ঘুরল পৌলমী।

শুনতে পেল বিনয় কাকার গলা। “কালকের টাকা মানে? কিসের টাকা?”

বিল্টু ছেলেটি আমতা আমতা করে বলল, “কালকে আসলে রিচার্জ করতে বলেছিল ফোন করে।”

“ধারে?” বিনয় কাকুর চিৎকার কলেজের গেট অবধি শোনা যাচ্ছে।

আর কিছু শুনতে পেল না পৌলমী। তবে কয়েক সেকেন্ড পরে আর একটা চিৎকার শুনতে পেল। এবার বিল্টুর। ও বুঝতে পারল আবার প্রহার শুরু হয়েছে। এবং আজকের কারন পৌলমী নিজেই।

বিল্টু ছেলেটি বারো ক্লাসের পর আর পড়তে পারে নি। মা আর পড়াতে পারবে না বলে দিয়েছিল। তাই ওই কলেজের সামনে পাড়ার এক কাকার জেরক্স আর মোবাইল রিচার্জের দোকানে ফাই ফরমাশ খাটার জন্য বসতে হয়েছিল ওকে। তার জন্যও অবশ্য ওর মাকে কম কষ্ট করতে হয় নি। এই বিনয় কাকার সাথে ঘরের মধ্যে দরজা বন্ধ করে বসে থাকতে হয় মাঝে মাঝেই এক ঘন্টা।

ও জানে ওরা কী করে। বারো ক্লাসে পড়ার সময়েই ওর স্কুলের ছেলেরা ওকে “বেশ্যার ছেলে, বেশ্যার ছেলে” বলে ডাকত। কিন্তু সে ওর মা যাই করুক। রোজ দু’বেলা ভাতের যোগান তো দিয়ে চলেছে। ওটা পেলেই ও খুশি।

কলেজের উল্টোদিকের এই দোকানে বসে কত রকমের ছেলে মেয়ে দেখতে পায় বিল্টু। দোকানের পাশের গলিতে অনেকে আবার নেশাও করে। ওর তাতেও কিচ্ছু যায় আসে না যদিও। কিন্তু ওর যায় আসে কেউ ভালো থাকলে। এই পৃথিবীতে এক দল মানুষ ভালো থাকবে আর এক দল মানুষ খারাপ? এই বৈষম্য কেন?

ওর দোষ কী? ও বস্তির ছেলে? ওর বাবা ওকে জন্ম দিয়েই চলে গেছে বাড়ি ছেড়ে? নাকি ওর মাকে দু’বেলা দু’মুঠো ভাত খাওয়ানোর জন্য অন্য লোকের সাথে শুতে হয়, এটা ওর দোষ?

রোজ ও দেখত তিনজন ছেলে মেয়ে কে। প্রায়ই আসত দোকানে জেরক্স করতে। রিচার্জ করতে। বড্ড ভালো আছে ওরা। দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা গল্প করত। ওখানেই নাম গুলো শুনেছিল বিল্টু। নয়নিকা আর সৌমেন।

রোজ যখন বিনয় কাকা ওকে বেল্ট দিয়ে মারত তখন ও দেখত এই ছেলে মেয়ে গুলো কেমন একটা দুঃখ ভরা চোখ নিয়ে ওর দিকে তাকিয়ে রয়েছে। আবার পাঁচ মিনিট পর আবার যেই কে সেই। এমন ভাবে হেসে হেসে কথা বলত যেন কিছুই হয় নি।

ওই বিষন্ন চোখ গুলো বড্ড ভালো লেগেছিল বিল্টুর। কেন বৈষম্য থাকবে পৃথিবীতে। সবার চোখ এরকমই হওয়া উচিত। রিচার্জের দোকান হওয়ার জন্য অচেনা নাম্বার পেতে খুব একটা অসুবিধে হয় নি। ওকে একসাথে অনেক গুলো ফোন রাখতে হয় সাথে। সেই দু’টো নাম্বার True Caller এ নয়নিকা আর সৌমেন নামে Save করে নিতে খুব অসুবিধে হয় নি ওর।

সেদিন যখন বিনয় কাকা ওকে বেল্ট দিয়ে মারছিল ও দেখতে পাচ্ছিল সুদীপ্ত ছেলেটি একা একা চলে যাচ্ছে বড় রাস্তার দিকে। পৌলমী ওর সাথে নেই। সে যাচ্ছে আরও খানিক টা পেছনে। মাথা নীচু। চোখ গুলো বিষন্ন। ঠিক যেমন টা ভালো লাগে বিল্টুর। চোখের কোন দিয়ে কয়েক ফোঁটা জল বেরিয়ে এল বিল্টুর। পিঠে ক্রমাগত বেল্টের মার পড়ছে ঠিকই কিন্তু তাও ও জানে এটা আনন্দঅশ্রু।

সাম্যবাদীর গল্প

Arnab Mondal


হিজিবিজি লেখা আর বিরিয়ানি নিয়ে Phd করছি আর আকাশবাণী কলকাতায় নিজের কন্ঠস্বর ভাড়া দিয়ে সংসার চালাচ্ছি।


Post navigation


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: কপি করবেন না দাদা/দিদি