– শোনো?
– হ্যাঁ বলো।
– তোমার গ্রাম থেকে একজন এসেছিল আজ অফিসে। তোমায় চেনে বললো।
– ও হ্যাঁ। আফসার দা। বলেছিলাম তো তোমায় ওর কথা।
– কবে বলেছিলে?
– পরশু বললাম যে আমার এক দাদা যাবে। একটা কাজের ব্যাপারে একটু দেখো।
– পরশু বললে হবে? আজ অফিসে যাওয়ার আগে বলতে হত তো। এত কথা মাথায় রাখা যায় নাকি।
– ওহ! আচ্ছা। আজ তো খেয়াল নেই বলতে।

– তা থাকবে কেন? আর রেডি হও এবার।
– কেন? কোথায় যাবো?
– কোথায় যাবে মানে? বললাম যে আজ একটা Party আছে।
– কবে বললে?
– আগের রবিবারেই তো বললাম যে সামনের শনিবার একটা Party তে যেতে হবে। কি করো কী সারাদিন? ব্রেনোলিয়া খাও!
– ওহ! এ বাবা মনে নেই একদম।
– এবার তো মনে করিয়ে দিলাম। রেডি হও যাও।
– হ্যাঁ যাই।
– আর শোনো?
– এই সব পাকিস্তানি লোকদের সাথে এত কথা বলবে না বুঝেছো?
– কে পাকিস্তানি?
– ওই তো যে অফিসে এসেছিল। আফসার না কি একটা নাম। আমি ভাগিয়ে দিয়েছি।
– ও পাকিস্তানি না তো! আমাদের গ্রামেই থাকে। এক স্কুলেই পড়তাম আমরা। খুব ভালো ছিল পড়াশুনো তে… মাধ্যমিকে তো…
– এত কথা তোমায় জিজ্ঞেস করেছি?
– না মানে…
– মানে আবার কী? এত কথা কীসের? ওর সাথে প্রেম করো তুমি?
– ইস! ছি ছি! কি বলছো এসব? ও আমার দাদার মত।
– I don’t care. একদম কথা বলবে না এই সব লোকজন দের সাথে.
– কথা বলবো না?
– না বলবে না। আমার বাড়িতে থাকতে হলে আমার কথা অনুযায়ী চলতে হবে। আর নাহলে Divorce কথাটার মানে জানার মত পড়াশুনো নিশ্চয় করা আছে! যাও রেডি হও।
– হুম।
– এরকম মুখ করে Party তে যাবে নাকি? অফিসের লোকজন দের কাছে আমার মুখ পোড়ানোর ইচ্ছে?
– না না… একদম না…
– আর দয়া করে বেশি কথা বলবে না ওখানে গিয়ে। তুমি কথা বললেই কেমন যেন গাঁইয়া গাঁইয়া মনে হয়। বুঝতে পেরেছো?
– আচ্ছা।
– যাও। তাড়াতাড়ি তৈরী হও।

[এরপর বাড়ির কর্তা মোবাইলে পাকিস্তানের কোনো এক মহিলার ভিডিও খুলে বসলেন]

(স্ব) অধীনতা ২

Post navigation


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: কপি করবেন না দাদা