– তুমি সারাক্ষন ফোনে কী করো গো?
– এমনি এটা সেটা করি… তেমন কিছু না।
– এটা সেটা কী করো?
– আরে এই একটু পড়াশুনো করি, নিউজ পড়ি।
– কী পড়ো?
– আরে কী পড়ি ওভাবে বলা যায় নাকি? যখন যা ইচ্ছে হয়।
– ফোনটা দাও একবার তোমার।
– কেন? কিছু দরকার?
– আরে দাও না। বলছি।

(একটু পরে)

– আচ্ছা এত কিছু কে শেখালো তোমায়?
– কে আবার? ঋজু কে বলেছিলাম। ওই দেখিয়ে দিয়েছে।
– ঋজু? ও তোমায় সব শিখিয়েছে?
– হ্যাঁ। কেন?
– তাহলে এই ভিডিও গুলো কি ও দিয়েছে? আর এই ছবিগুলো?
– না… আসলে…
– ছিঃ ছিঃ। এই বয়সে এসে তুমি এইসব করছো? লজ্জা করছে না?
– আরে… আমি তো…
– পড়াশুনো করছিলে এগুলো দেখে দেখে??? ঋজু বাড়ি আসুক। আজ ওর একদিন কি আমার একদিন।
– আরে ও এগুলো দেখায় নি….
– তাহলে কে দেখিয়েছে?
– অরিত্র দা অফিসে দেখাচ্ছিল। তখনই ওই Share It এ করে…
– সারাদিন ফোনে এসব দেখে বেড়াচ্ছো তারপর থেকে??? এই বয়সে??? লজ্জা করছে না??
– সারাদিন দেখিনি… মাঝে মাঝে দেখি… আর কতই বা বয়স বলো তো? এই তো সবে ৩৫.
– চুপ করো তুমি। আর আমায় বললে পড়াশুনো করো তুমি? মিথ্যেটা কি বেমালুম বলে দিলে।
– আমি কিন্তু Technically মিথ্যে বলিনি।
– মানে??
– পড়াশুনো লোকে কেন করে? জানার জন্য, শেখার জন্য।
– হ্যাঁ তো!?
– আমিও কিন্তু অনেক কিছু শিখেছি ওগুলো থেকে।
– ছাই শিখেছো!
– আমায় একটু সুযোগ দাও বউ এর মন্দিরে….. মন্দিরে… ধুর! মাথায় আসছে না। কাছে এসো।
– ইস! খুব শখ না?
– দেখাচ্ছি কাছে এসো।
– গ্যাসে দুধ গরম করতে দিয়ে এসেছি। এখন হবে না ওসব!
– আরে ধুর! ভিটামিন সি তো আমি গরম করবো এবার!
– সেটা কী?
– এটা! সরি…  দ্বিবচন হবে।
– অসভ্য কোথাকার!

বিবাহ বিভ্রাট ১

Post navigation


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: কপি করবেন না দাদা